সিলেট নগরীর মেজরটিলার চামেলীবাগে ১ একর ১০ শতক জমির বৈধ মালিকানা থাকা সত্ত্বেও জমিতে প্রবেশ ও ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছেন না মালিকরা। জমিটির বর্তমান মালিক সামরান হোসেন চৌধুরী রাজুসহ কয়েকজন অভিযোগ করেছেন, শাহপরান থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. বাচ্চু মিয়া তার কর্মীদের বসিয়ে জমি দখলে রেখেছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
সামরান হোসেন চৌধুরী জানান, দীর্ঘদিন ধরে আমার বৈধ জমিটি দখল করে আছে বাচ্চু মিয়া ও তার দলের কর্মীরা। আমার বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও আমি আমার জমিতে প্রবেশ করার সুযোগ পাচ্ছি না। ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে ৫ আগস্টের পর বিএনপি নেতা বাচ্চু মিয়া ও তার কর্মীরা বেশ বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা কোনো আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে আমার সম্পূর্ণ বৈধ জমিটি দখল করে আছে। এ বিষয়ে আমি স্থানীয় প্রশাসনের সাহায্য চেয়েও বারবার ব্যর্থ হয়েছি। বাচ্চু মিয়া ও তার কর্মীরা জমিটি দখল করে সেখানে দেয়াল তোলার জন্য ইট এনে রেখেছ।
উল্লেখ্য পুলিশের বিরুদ্ধে জমির প্রকৃত মালিকের নামে সাজানো মামলা, গ্রেফতার এবং নির্যাতনের অভিযোগও উঠেছে। জমির কেয়ারটেকার দেলোয়ার ও তার স্ত্রী পারভিনকে দিয়ে প্রলোভনের মাধ্যমে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করানো হয় বলে অভিযোগ করেন সামরান। এই মামলার সিসিটিভি ফুটেজে ধর্ষণের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এমনকি বাদী অতীতেও বিভিন্ন থানায় একাধিক মিথ্যা মামলা করেছিলেন বলে জানান তিনি।
এলাকাবাসীরা জানান জমির বৈধ মালিক সামরান। দীর্ঘদিন থেকেই তিনি এই এলাকায় শান্তশিষ্টভাবে বসবাস করে আসছেন। বাচ্চু মিয়া এসে তার জমিটি দখল করেছে।
ভুক্তভোগীরা এই ঘটনায় বর্তমান সরকারে উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।