১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ বিকাল ৩:১৮
সংবাদ শিরোনাম
যুক্তরাজ্য প্রবাসী ইসলাম খানকে আল-মুছিম স্কুল এন্ড কলেজের সংবর্ধনা ড. হাসনাত মুহাম্মদ হোসেইনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরীর ড. এনামুল হকের হাতে সিলেট ক্যালিগ্রাফি সোসাইটির “দানের শীষ ক্যালিগ্রাফি” আল-মুছিম স্কুল এন্ড কলেজের “এসএসসি-২০২৬”র বিদায়ী সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন আল-মুছিম স্কুল এন্ড কলেজে ‘পহেলা বৈশাখ উদযাপন’ মিজানুর রহমান চৌধুরীর হাতে সিলেট ক্যালিওগ্রাফি সোসাইটির ‘ধানের শীষ ক্যালিওগ্রাফি’ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৪ নং ওয়ার্ড দর্শন দেউড়ি ইউনিটের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন মালদ্বীপে অগ্নিকাণ্ডে ৫ বাংলাদেশির মৃত্যু আরিফুল হকের হাতে সিলেট ক্যালিগ্রাফি সোসাইটির “দানের শীষ ক্যালিগ্রাফি” জামাত আমীরের হাতে সিলেট ক্যালিগ্রাফি সোসাইটির পক্ষ থেকে দাঁড়িপাল্লার ক্যালিগ্রাফি

শবে বরাতে নামাজ পড়ার বিশেষ নিয়ম

আকাশ বাংলা ডেস্ক
  • আপডেট মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ২২৮ বার পঠিত

 

আজ পবিত্র রজনী শবে বরাত। শবে বরাত ফারসি ভাষার শব্দ। ‘শব’ অর্থ রাত। আর ‘বরাত’শব্দের অর্থ, মুক্তি, শান্তি, সৌভাগ্য। আরবিতে একে বলে লাইলাতুল বরাত, সৌভাগ্য রজনী। এ রাতের ইবাদতের বিশেষ ফজিলত রয়েছে।

এ রাতের যত ইবাদত আছে সবই নফল। শবে বরাতের বিশেষ কোনো ফরজ, ওয়াজিব বা সুন্নতে মুয়াক্কাদা ইবাদতের কথা হাদিসে বর্ণিত হয়নি। কোরআন ও হাদিসের আলোকে আলেমরা শবে বরাতে কোরআনে কারিম তেলাওয়াত, জিকির-আজকার, দোয়া-ইস্তেগফার এবং নফল নামাজ পড়ার কথা বলেন।

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ রাতে দীর্ঘ সময় নিয়ে নফল নামাজ পড়েছেন বলে হাদিসের মাধ্যমে প্রমাণিত। নির্দিষ্ট বা আলাদা কোনো নিয়মে এই রাতে আল্লাহর রাসূল ও সাহাবিদের থেকে নামাজ বা অন্য ইবাদতের কথা প্রমাণিত নয়।

তবে এই রাতকে ঘিরে বিভিন্ন বই-পুস্তকে নামাজের নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন লেখা আছে অর্থাৎ এতো রাকাত নামাজ পড়তে হবে, প্রতি রাকাতে এই এই সূরা এতোবার পড়তে হবে- এগুলো ঠিক নয়। হাদিস শরিফে এ ধরনের কোনো নিয়ম নেই, এগুলো মানুষের মনগড়া পন্থা।

শবে বরাতে কেউ নফল নামাজ পড়তে চাইলে তার নিয়ম হলো, অন্য নফল নামাজের মতোই দুই রাকাত করে নামাজ পড়া। প্রতি রাকাতেই সূরা ফাতেহার পর পবিত্র কোরআনের যে কোনো সুরা পড়া। এরপর যথানিয়মে রুকু-সিজদা করা এবং অন্য রুকনগুলো আদায় করা। এভাবে দুই রাকাত নামাজ শেষ করা।

দুই বা চার রাকাত নামাজ পড়ার পর কিছু সময় দোয়া-দরুদ, তাসবি-তাহলিল পড়া, জিকির করা, কোরআন তেলাওয়াত করা। এরপর আবার নামাজে দাঁড়ানো। নামাজের পর আবার জিকির-আজকার, কোরআন তেলাওয়াত, তাওবা-ইস্তেগফার করা, দীনি আলোচনা শোনা, কোরআন-হাদিসের ব্যাখ্যা পড়া ইত্যাদি।

এভাবে সাধ্য অনুযায়ী যত রাকাত নামাজ পড়া যায় পড়তে পারেন। রাকাতেরও নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা নেই। পবিত্র কোরআনে যথাসাধ্য নফল ইবাদত করার প্রতি ইঙ্গিত রয়েছে। আল্লাহ তায়ালা সাধ্যের বাইরে কোনো কিছু চাপিয়ে দেন না।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং খোলাফায়ে রাশেদিনের সাহাবায়ে কেরাম কখনো তা পড়েননি। এ রাতে যেহেতু দীর্ঘ সময় পাওয়া যায়, তাই ফজিলতময় নামাজ সালাতুত তাসবিহ পড়া যেতে পারে। এই নামাজ জীবনে একবার হলেও পড়ার তাগিদ রয়েছে। (আবু দাউদ, হাদিস ১২৯৭, ইবনে মাজাহ, হাদিস ১৩৮৭, বায়হাকি কুবরা, হাদিস ৪৬৯৫)

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2025 AkashBangla. Developed by PAPRHIHOST
Theme Dwonload From Ashraftech.Com
ThemesBazar-Jowfhowo