সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলাস্থ স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আল-মুছিম স্কুল এন্ড কলেজের “এসএসসি-২০২৬” পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন হয়েছে।
গতকাল (১৬ এপ্রিল ২০২৬) দুপুর ১২ ঘটিকার সময় আল-মুছিম স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠান
অনুষ্ঠিত হয়।
আল-মুছিম স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক আবদুল কাদির জীবন-এর সভাপতিত্বে ও বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রিপন মিয়ার উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দুল হালিম। বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমন আহমদের মহাগ্রন্থ আল-কোরান তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল মুমিন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুমেশ কান্তি দাশ, শাকিল আহমদ, মোস্তফা মাসুদ, বন্যা রানী দাশ, নমিতা রানী দাশ, তানজিনা বেগম, রুবা বেগম, ফারজানা বেগম ও শাম্মী বেগম প্রমুখ।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মানপত্র পাঠ করেন, বিদ্যালয়ের স্কুল ক্যাপ্টেন (বালিকা), দশম শ্রেণির ছাত্রী আনিসা হক ইয়ারা ও বিদ্যালয়ের স্কুল ক্যাপ্টেন (বালক), দশম শ্রেণির ছাত্র মুহাম্মদ মিনহাজ আহমদ। এসএসসি-২০২৬ বিদায়ী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মানপত্র পাঠ করেন মাহিমা জাহান ও জুলি বেগম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, “তোমরা আজ বিদায় নিচ্ছো, কিন্তু এই বিদায় কোনো সমাপ্তি নয়—এটি তোমাদের নতুন পথচলার শুরু। জীবনে বড় হতে হলে শুধু পরীক্ষায় ভালোফল করলেই হবে না, ভালো মানুষ হওয়াও জরুরি। সততা, শৃঙ্খলা ও কঠোর পরিশ্রমই তোমাদের সাফল্যের চাবিকাঠি। আমি বিশ্বাস করি, আল-মুছিম স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির গর্ব হয়ে উঠবে।”
অনুষ্ঠানে শিক্ষকরা তাদের শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদানকালে বলেন, ‘পরীক্ষা জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই ধাপে একাগ্রতা, কঠোর পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে সফলতা অর্জন সম্ভব। শুধু ভালো ফলাফল নয়, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধেও নিজেদের সমৃদ্ধ করতে হবে, যাতে তোমরা ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারো।’
বিদায়ী শিক্ষার্থীরা তাদের বক্তব্যে বলেন, “এই বিদ্যালয় শুধু আমাদের শিক্ষার স্থান নয়, এটি আমাদের স্বপ্নের আঁতুড়ঘর। এখানে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত আমাদের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান স্মৃতি হয়ে থাকবে।”
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয় এবং আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে